রবিবার ২০ জানুয়ারী ২০১৯   |  ৭ মাঘ ১৪২৫   |   ১২ জুমাদিউল আউয়াল, ১৪৪০
Untitled Document

নিয়োগ স্থায়ী না হওয়ায় হতাশায় ৫ হাজার এসিটি শিক্ষক

প্রকাশঃ শুক্রবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৮    ২০:১০
সংবাদদাতা:

মানসম্মত শিক্ষা ও দুর্গম এলাকার শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৮ সালে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট (সেকায়েপ) প্রজেক্ট গ্রহণ করে সরকার। প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন বিষয়ে নিয়োগ দেয়া হয় অভিজ্ঞ ৫ হাজার ২০০ অতিরিক্ত শিক্ষক (এসিটি)। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে নতুন মেয়াদে এসব শিক্ষকদের স্থায়ী করার আশ্বাস দেয়া হয়। নতুন মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও নিয়োগ স্থায়ীকরণের এই আশ্বাস বাস্তবায়িত হয়নি।  

অন্যদিকে নতুন মেয়াদে স্থায়ী নিয়োগের আশ্বাসে প্রায় এক বছর ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করছেন এসব শিক্ষক। ঈদ উপলক্ষেও পাননি কোন বেতন-বোনাস। দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা ছাড়াই পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন চাকরি স্থায়ী করার কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় চরম হতাশা এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন এসিটি শিক্ষকরা।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সেকায়েপ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রকল্পের নতুন মেয়াদে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসইডিপিতে সেকায়েপের এ সংক্রান্ত বিভিন্ন কম্পোনেন্টের (পাঠাভ্যাস ও উপবৃত্তি) কার্যক্রম চালু হলেও এসিটিদের চাকরি স্থায়ী করার কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা।

এর আগে সেকায়েপ এবং সেসিপের আওতায় নিয়োগকৃত অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ১১ জুলাই মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকায়েপ ও সেসিপ প্রকল্পের শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিকরণের সম্ভাব্য শর্তাবলি ও আর্থিক সংশ্লেষসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মহিউদ্দিন খান সাংবাদিকদের বলেন, এসিটিরা শিক্ষকদের স্থায়ী করার বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে আমরা তাদেরকে রাখার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে অনেক কিছু সময় লাগে। এসিটিদের হতাশ না হয়ে অপেক্ষা করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে গত ২৮ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে একটি চিঠি দেয়া হয়। চিঠিতে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রকল্প দুটিতে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সম্ভাব্য শর্তাবলি ও আর্থিক সংশ্লেষসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।  কিন্তু পরবর্তীতে এই বিষয়টি নিয়ে আর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পটি চালু করা হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় তিন হাজার চারশ ৮০ কোটি টাকা।  এতে দেশের অতি দুর্গম ৬৪টি উপজেলার দুই হাজার ১১টি স্কুলে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ে ৫ হাজার ২০০ অতিরিক্ত শিক্ষক (এসিটি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যাদের স্নাতকে প্রাপ্ত নম্বর ৫০ শতাংশের বেশি ছিল, কেবল তাদেরই আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই করে সর্বোচ্চ যোগ্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। শেষ হওয়া প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়াসহ শিক্ষকদের মাসিক বেতন ছিল ১৪ হাজার টাকা। জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী সর্বশেষ ২২ হাজার ২০০ থেকে ২৭ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত এই শিক্ষকদের বেতন দেওয়া হয়।

জিবিডি/আরআইটি

SRM Institutes of Science and Technology Ad Space India Education Fair 2018, Dhaka
আর্কাইভ
January 2019
SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

AIMS Institutes

প্রকাশক

বিপ্লব চন্দ্র চক্রবর্তী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক

রবিউল ইসলাম তুষার

আমাদের সাথে থাকুন
© Copyright 2017. GEE BD. Designed and Developed by GEE IT